আজ ২৫শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

উপজেলা বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবিতে নিকলীতে মানববন্ধন

আলমগীর হোসেন, নিকলী:  কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলা বিএনপির নবগঠিত পূর্নাঙ্গ কমিটি বাতিলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন দলটি ত্যাগী, কারা নির্যাতিত বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা। আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টায় নিকলী পুরান বাজার শিমুল শপিং কমপ্লেক্সের সামনে এ মানববন্ধনটি অনুষ্টিত হয়। এসময় মানব বন্ধনের উপস্থিত হন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত শত শত নেতাকর্মীরা।

নিকলী উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সিয়াম হাসান অক্ষয়ের সঞ্চালনায় ও বিএনপি নেতা কামরুল হাসান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা এডঃ জিল্লুর রহমান এ সময় তিনি বক্তব্যে বলেন আমি গত কাউন্সিলে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে অল্প ভোটের ব্যবধানে সাধারন সম্পাদক পদে নিকটতম প্রার্থী ছিলাম সে হিসেবে সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদটি গঠনতন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী আমার হওয়ার কথা। কিন্তু যে প্রার্থী কাউন্সিলে ৫ম স্থান অর্জন করেছে তাকে টাকার বিনিময়ে সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদটি দেয়া হয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য জিসাসের আহবায়ক মিয়া হোসেন বিএনপির সভাপতি বদরুল মোমেন মিঠুকে উদ্দেশ্যে করে বলেন মিঠু রক্তে বেঈমানি রয়েছে তাই তার কাছ থেকে ত্যাগী নেতাকর্মীরা মূল্যায়িত হয়নি,

মানবন্ধনের সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা ও বর্তমান বিএনপি নেতা কামরুল হাসান বলেন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান আমির হোসেনের ছেলে মিঠু, তাই রাজাকারি করা তার বংশগত স্বভাব।

জারইতলা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইসহাক রানা বক্তব্যে বলেন বিতর্কিত কমিটি যদি সংশোধন বা বিলুপ্ত না করা হয় তাহলে আমরা ত্যাগী ও বদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা আন্দোলন চালিয়েই যাবো। মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন জারইতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আতিয়ার রহমান লিটন, কারা নির্যাতিত বিএনপি নেতা আলম মেম্বার, জুলাই আহত যোদ্ধা যুবদল নেতা মোজাম্মেল হক, শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাতেম আলী,

এ সময় অন্যান্য বক্তারা অভিযোগ করেন গত ১৭ বছর ধরে জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে আওয়ামী দোসর ও টাকার বিনিময়ে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমনকি কাউন্সিলে সভাপতি পদে দ্বিতীয় হওয়া শফিকুল ইসলাম রাজন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে দ্বিতীয় হওয়া এডভোকেট জিল্লুর রহমানকে যথাক্রমে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদগুলো লক্ষ লক্ষ টাকায় নিয়মকে তোয়াক্কা করে অবৈধভাবে বিক্রি করে দেয়া হয়। এছাড়াও ১৪ থেকে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ পদে টাকার বিনিময়ে বিতরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

মানববন্ধন চলাকালে পুলিশ প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে থাকলেও শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category