
নিজস্ব প্রতিবেদক : কিশোরগঞ্জ শোলাকিয়া ভুইয়া বাড়ির মুরুব্বি, উকিল পাড়া ধোপাবাড়ী মোড় নিবাসী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি, অবিভক্ত পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও পুরান থানা আব্দুস সামাদ প্লাজার সত্বাধিকারী (আব্দুর রাজ্জাক ভূঁইয়া) আর নেই।
শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি বিকাল সোয়া চারটায় শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি বৃহস্পতিবার বার্ধক্যজনিত কারণে গুরুতর অসুস্থ হইলে পরিবারের লোকজন শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে নিয়ে আসেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়। উনার মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জের সর্বস্তরে নেমে আসে শোকের ছায়া।
শনিবার ৬ ফেব্রুয়ারি বাদ যোহর শহীদি মসজিদে জানাজা শেষে শোলাকিয়া বাগেজান্নাত কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।
উনার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন- কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শরিফুল আলম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, পৌর কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উনার মৃত্যুতে শোকাভিভূত পরিবারের পাশে সহমর্মিতা ও জানাজায় অংশ গ্রহণ করেন – জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কিশোরগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির বহিস্কৃত নেতা কিশোরগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নু, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী মুফতী হেদায়েতুল্লাহ হাদী, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল হোসাইন এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, সাবেক জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী ইসরাইল মিয়া, সাবেক জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম আশফাক, সাবেক জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল আলম, জেলা ইমাম ও উলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা সাব্বির আহমেদ রশিদ, কিশোরগঞ্জ পৌর কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মাস্তান, বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিলু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সুমন, কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এ কে এম নাসিম খান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল মালেক চৌধুরী, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা জেলা ইউনিটের সভাপতি শফিক কবীর, নিরাপদ সডক চাই জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান, এছাড়াও ছাত্রদল, যুবদল, কৃষকদল, শ্রমিকদলসহ বিএনপির সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শহরের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিকদলের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও অন্যান্য শ্রেনি পেশার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ শোক প্রকাশ করেন।
মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বৎসর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, এক মেয়ে ও নাতি নাতনী সহ বংশীয় অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।