
নিজস্ব প্রতিবেদক : কিশোরগঞ্জ পৌরসভার দুই বারের সাবেক সফল মেয়র ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি বড়বাজার ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবু তাহের মিয়া ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুর সংবাদে কিশোরগঞ্জে নেমে আসে শোকের ছায়া।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত চারটায় চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন। আছরের পর মৃতদেহবাহী গাড়িটি নিজ বাসায় পৌঁছলে কান্নায় ভেঙে পড়েন আত্মীয় স্বজন ও উপস্থিত সকলেই।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বাদ এশা ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে তার নামাজের জানাজা শেষে শহরের বয়লা এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
উনার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, পৌর কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। কিশোরগঞ্জের সর্বস্তরে নেমে আসে শোকের ছায়া।
উনার মৃত্যুতে শোকাভিভূত পরিবারের পাশে সহমর্মিতা ও জানাজায় অংশ গ্রহণ করেন – কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শরিফুল আলম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কিশোরগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির বহিস্কৃত নেতা কিশোরগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নু, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, সাবেক জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী ইসরাইল মিয়া, সাবেক জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম আশফাক, জেলা ইমাম ও উলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা সাব্বির আহমেদ রশিদ, কিশোরগঞ্জ পৌর কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মাস্তান, বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি খাইরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিলু, জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফ, কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এ কে এম নাসিম খান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল মালেক চৌধুরী, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা জেলা ইউনিটের সভাপতি শফিক কবীর, নিরাপদ সডক চাই জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান, এছাড়াও ছাত্রদল, যুবদল, কৃষকদল, শ্রমিকদলসহ বিএনপির সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শহরের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিকদলের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও অন্যান্য শ্রেনি পেশার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ শোক প্রকাশ করেন।
জানাজার নামাজ পরিচালনা করেন ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের ইমাম হযরত মাওলানা আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর, তিনি ২ ছেলে, ৩ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।