আজ ৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

নরসিংদী রায়পুরা নীলকূঠী বাজারে ফোরল্যানের জমি অধিগ্রহণে অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মোঃ ছাবির উদ্দিন রাজু ভৈরব কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ সরকার ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। এই মহাসড়ক নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ১৬ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ৩ হাজার ৬৭৩ কোটি টাকা এবং এডিবি ঋণ দিচ্ছে ১৩ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় ৬৬টি সেতু, কালভার্ট ৩০৫টি, রেলওয়ে ওভারপাস ৮টি, ফুটওভার ব্রিজ ২৬টি, ইউ-টার্ন ৩৭টি, রাউন্ড অ্যাবাউট ৮টি, ভূমি অধিগ্রহণ ১ হাজার ৩৩ একর। মহাসড়কের মূল চার লেন হবে ৭ দশমিক ৩ মিটার এবং সার্ভিস লেন হবে ৫ দশমিক ৫ মিটারের।

সরকার সড়ক সম্প্রসারণের কাজ করবে জায়গার মালিক গণ খুশি মনে গ্রহন করেছে তবে কিছু অসাদু লোক সরকারের কাছ থেকে ফোর ল্যানে যাদের জাযগা পড়েছে তাদের কে ৩০% ৪০% টাকা না দিলে সঠিকমূল্য পাবেনা বলে অসাধু উপায়ে বিভিন্ন জায়গার রিপোর্ট বিভিন্নভাবে প্রদান করাচ্ছে বলে মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্তরা বৃহস্প্রতিবার নীল কূঠী বাসস্ট্যান্ডে মানববন্ধন করে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করার লক্ষে মানববন্ধন করেছে ক্ষতিগ্রস্তরা।
গতকাল রায়পুরা নীলকূঠী বাসষ্টেন্ডে বেলা ১২ টায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসি মির্জাপুর ইউনিয়নের মাহমুদাবাদ মৌজার জমির মালিক ও ব্যবসায়িরা এই মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, ক্ষতিগ্রস্ত মো.হানিফ মিযা,মোঃ বারিক মিযা,দোকানদার মোঃ বিল্লাল মিয়া,স্থানীয় বাসিন্দার মধ্য্য নারায়নপুর কলেজের প্রফেসার মোঃ আলম,স্কুল শিক্ষক ইমরুল কায়েস ,মসজিদের ইমাম মোঃ রুহুল আমিন,সমাজ সেবক ও ইতালী প্রবাসী মোঃ রেনূ ভূইয়া সহ আরো অনেকে। তারা বলেন প্রকৃত জমির মালিকদের সঠিক মূল্য পরিশোধ করতে হবে,অন্যতায় বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
জমির আরেক মালিক মোঃ হানিফ মিয়া বলেন, আমার ৭ শতক জমিতে ১১ টি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান,বিভিন্ন দালালরা বলেন ৩০%- ৪০ %টাকা দিলে জায়গার সঠিক মূল্য উঠিয়ে দিবে,না দিলে না নালা বা ডোবা দেখিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করা হবে।
এ ব্যাপারে জানতে নরসিংদী সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলীর মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নরসিংদী জেলা প্রসাসকের সাথে ফোন দিলে তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তরা অবশ্যই শতভাগ টাকা পেয়ে যাবেন, এতে কোন সন্দেহ নেই। সকল কাগজ পত্র নিয়ে দেখা করতে বলেন।

এ বিষয়ে নরসিংদী জেলা এলো শাখার সার্ভেযার আঃ আজিজ বলেন, কাগজ পত্র নিয়ে আসলে আমরা সহযোগিতা করব,এলো শাখার কাননগো আঃ জলিল বলেন প্রতেক্ষ ভাবে তদন্ত করে ক্ষতিগ্রস্তদের পাওনা টাকা বুঝিয়ে দিতে সহযোগিতা করা হবে।
এ বিষয়ে রায়পুরা উপজেলায় এসিল্যান্ড কে ফোন করলে তিনি বলেন এ বিষয়টি আমাদের আওতায় পড়ে না। যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category