আজ ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

২৭২টি নতুন ঘরে প্রবেশের মাধ্যমে গৃহহীন মুক্ত’র দ্বারপ্রান্তে কিশোরগঞ্জ জেলা

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় আগামী ৯ আগষ্ট সকাল ১০ টায় সারাদেশে ২২ হাজার ১০১টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ২ শতাংশ জমিসহ গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কিশোরগঞ্জে এবার আরও ৬টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন ঘোষণা করা হবে, সেইসাথে নতুন ঘরে প্রবেশ করবে আরো ২৭২টি পরিবার।
সোমবার (৭ আগষ্ট ) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। তিনি জানান, এবার কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ৪র্থ পর্যায়ের ২য় ধাপে ঘর পাচ্ছেন ২৭২টি অসহায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার।
৪র্থ ধাপে কিশোরগঞ্জ জেলার (করিমগঞ্জ ১২, হোসেনপুর ২২, মিঠামইন ১২, নিকলী ২০, বাজিতপুর ৩২, কুলিয়ারচর ৩৬, তাড়াইল ৪৬, ও ইটনায় উপজেলায় ৯২ টি ঘর’সহ) মোট ২৭২টি ঘর প্রদান করা হবে।
সেইসাথে জেলার কিশোরগঞ্জ জেলার আরও ৬টি (হোসেনপুর, করিমগঞ্জ, বাজিতপুর, কুলিয়ারচর, নিকলী ও মিঠামইন) উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করা হবে। ইতোপূর্বে ৫টি (কিশোরগঞ্জ সদর, কটিয়াদী, পাকুন্দিয়া, ভৈরব ও অষ্টগ্রাম) উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
অবশিষ্ট ২টি( ইটনা ও তাড়াইল) উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এছাড়াও এই প্রকল্পের আওতায় ব্যারাক হাউস নির্মাণের মাধ্যমে ইটনা উপজেলার আড়ালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পে ১৫০ ও মজলিশপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ১২০ (মোট ২৭০টি) পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে, ৫ টি পরিবারকে অন্যান্য পুনর্বাসনের(উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে) মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হয়েছে।  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৯ আগষ্ট ২০২৩ সকাল ১০টা উদ্বোধনের মাধ্যমে একই দিনে উপকারভোগীদের নিকট কবুলিয়ত দলিল, নামজারী এবং সনদ হস্তান্তর করা হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ আরো জানান, প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে সরকারি খাস জায়গা কিংবা দখল হওয়া জায়গা দখলমুক্ত করে। কিশোরগঞ্জ জেলায় ২০২০ সাল হতে অদ্যাবধি আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় একক গৃহ নির্মাণের জন্য প্রায় ৬৬.৯৮ একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৫ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া জেলায় ১১২.৮২ শতক জায়গা ক্রয় করা হয়েছে যার স্থানীয় বাজারমূল্য এক কোটি ৪৭ লাখ ৪২৯০ টাকা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদবৃন্দ ছাড়াও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রুবেল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এটিএম ফরহাদ চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category