আজ ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩০শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

কিশোরগঞ্জে দ্বিতীয় পর্যায়ে ভূমি ও গৃহহীন ৬৩১ পরিবার যাচ্ছে নতুন ঘরে

নিজস্ব প্রতিনিধি: “আশ্রয়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার” প্রকল্পে কিশোরগঞ্জে দ্বিতীয় পর্যায়ে ৬৩১ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার যাচ্ছেন নতুন ঘরে।

আগামী ২০ জুন সকাল সাড়ে ১০ টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে একযোগে এ কাজের উদ্বোধন করবেন। প্রকল্পে প্রত্যেক পরিবারের জন্য রয়েছে দুই শতাংশ জমিসহ গৃহের কবুলিয়ত দলিল, নামজারি, গৃহ প্রদানের সনদ, ডিসিআর কপি ও ঘরের চাবি।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. শামীম আলম আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউস মিলনায়তনে আয়োজিত এক অবহিতকরণ সভায় সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, “মুজিব শতবর্ষে দেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না” প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মুজিব শতবর্ষে সারাদেশে প্রথম পর্যায়ে ৬৬ হাজার ১৮৯ টি পরিবারকে দুই শতাংশ জমিসহ গৃহ প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে সারাদেশে ৫৩ হাজার ৩৪০ টি পরিবারকে এ প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। এরমধ্যে কিশোরগঞ্জ জেলায় প্রথম পর্যায়ে দেওয়া হয়েছে ৬১৬ টি পরিবারকে। এছাড়াও এই প্রকল্পের আওতায় ব্যারাক হাউস নির্মাণের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার আড়ালিয়া ও মজলিশপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২৭০ টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে।
বিশেষ এই প্রকল্পের উপকারভোগী বাছাই প্রকল্পের নীতিমালা অনুযায়ী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসক জানান। এরপরও কোন দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এই প্রকল্পে কিশোরগঞ্জ জেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে কিশোরগঞ্জ সদরে -৫০, করিমগঞ্জ-৪৩, তাড়াইল-৮০, নিকলী-৩০, কুলিয়ারচর-১০, ভৈরব -০৫, বাজিতপুর -২০, কটিয়াদী -১৭৮, পাকুন্দিয়া -৭৫, হোসেনপুর-১০, মিটামইন-৮০, ইটনা-৩০ ও অষ্টগ্রাম -২০ সর্বমোট ৬৩১ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে দেওয়া হবে নতুন ঘর। এরমধ্যে ৩৬৫ টি ঘরের কাজ ইতোমধ্যে সমাপ্ত করা হয়েছে।

এসময় অবহিতকরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থনীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গোলাম মোস্তফা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নুরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কাদির, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মাহমুদুল ইসলাম, সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাগুফতা হক এবং জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     More News Of This Category